অসমাপ্ত কবিতা

দেবর্ষি সরকার


হ্লাদিনী সংশয় এবে পুঁথিপত্রগরিয়সী ক্ষয়। নিশ্চয় তোমাকে চেনে। শ্রীচরণকমলেশু তুই।
বিভুঁই বিদেশ যদি!নিজভূমে হে কোমল নাচ। পিত্তপারাবার হতে, তেই উম তাৎ তার পায়ে,
নধর মেনির ছায়া যথাসাধ্য ধুমায়িত থাকে। থাকে অতঃপর আলো এবং সঙ্গম। থম মেরে থাকে
প্রধানত। কিছুকাল ছায়ার বদলে, ফলিত সঙ্কেত গুলি উপলব্ধ না হওয়ার কারন জানেনা।
কোনও এক প্রাচীন নদীর, কিনারায় বসে আছে মহিয়সী যৌথপরিবার। একথাই কেমন বিকেল।
ঢালু পথ ভালোবেসে ভেসে যায় জলে ও বৈভবে। হবে জনগণনার দিন এক মহামান্য রোদ। ভীমরতি
প্রয়োগের সময় পেরিয়ে যাবে শ্লোক । ফুলবাবুটির চোখে বেলফুল, বরফমালাই। ফিটনের শব্দকোষ কানে
বাজে এমন বালক, ঝাঁ-চকচক অট্টালিকা ফেলে, সরু গলিটির পাশে খুঁজে পেল মহাগন্ধরাজ। সে কি দেখে প্রতিদিন কলের আওয়াজ ফেরতা দেবতার কাঁধে, জলের জোগান দুটি ভার? তাঁতের শাড়ির প্রিয়
চিরকাল মায়ার প্রসার? অথচ আঙুল সরে আসে। অধুনা সংশ্লেষ হলে মানুষের ঝুঁকে পড়া পিঠে, পাখির
নরম লাগে। আর, যে তোমার ঘড়ির অতীত, উহাকে স্তম্ভন করে উড়ে যায় পরমার্থ বোধ।

One Reply to “

অসমাপ্ত কবিতা

দেবর্ষি সরকার


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *